Skip to main content

Posts

ইরাদাহ বা আল্লাহর ইচ্ছা কত প্রকার? -

ফতোয়া আরকানুল ইসলাম প্রশ্ন: (৩৬) ইরাদাহ বা আল্লাহর ইচ্ছা কত প্রকার? উত্তর: ইরাদাহ (ইচ্ছা) দু’প্রকার   1) ইরাদাহ কাওনীয়া (সৃষ্টি গত ইচ্ছা)  2) ইরাদা শারঈয়া (শরী‘আত গত ইচ্ছা)  আল্লাহর যে ইচ্ছা সৃষ্টি করার সাথে সম্পৃক্ত তাই ইরাদাহ কাওনীয়া। আর যে ইচ্ছা ভালোবাসার সাথে সম্পৃক্ত তাকে ইরাদাহ শারঈয়া বলা হয়। অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা কোনো জিনিসকে ভালোবেসে যে ইচ্ছা পোষাণ করেন তাকে ইরাদাহ শরঈয়া বলা হয়। ইরাদাহ শরঈয়ার উদাহরণ হলো, আল্লাহর বাণী  ﴿وَٱللَّهُ يُرِيدُ أَن يَتُوبَ عَلَيۡكُمۡ﴾ [النساء: ٢٧]  “আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করতে ইচ্ছা করেন।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ২৭] এখানে ইচ্ছা করেন অর্থ ভালোবাসেন। এখানে সৃষ্টিগত ইচ্ছা অর্থে ব্যবহার হয় নি; বরং ব্যবহৃত হয়েছে শরী‘আতগত ইচ্ছায়। যদি সৃষ্টিগত অর্থে হত তাহলে সকল মানুষকে ক্ষমা করে দিতেন; কিন্তু তা তো করেন নি। কেননা অধিকাংশ বনী আদমই কাফির। সুতরাং আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করতে ইচ্ছা করেন অর্থ আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করা পছন্দ করেন। আল্লাহ কোনো জিনিসকে ভালোবাসার অর্থ এই নয় যে, তা অবশ্যই কার্যকরী হবে। তা কার্যকরী না হওয়ার পিছনে নিশ্চয় কোনো র...
Recent posts

মোহাম্মদ সাঃ সম্পর্কে - মাইকেল এইচ হার্ট

মোহাম্মদ সাঃ সম্পর্কে- মাইকেল এইচ হার্ট The 100_মাইকেল এইচ হার্ট বই Page 3 মুহাম্মদ (570-632)  বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য মুহাম্মদকে আমার পছন্দ কিছু পাঠককে অবাক করে দিতে পারে এবং অন্যদের দ্বারা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে, কিন্তু তিনিই ইতিহাসে একমাত্র ব্যক্তি যিনি ধর্মীয় এবং ধর্মনিরপেক্ষ উভয় স্তরেই অত্যন্ত সফল ছিলেন। নম্র বংশোদ্ভূত, মুহাম্মদ বিশ্বের একটি মহান ধর্ম প্রতিষ্ঠা ও প্রচার করেছিলেন এবং একজন অত্যন্ত কার্যকর রাজনৈতিক নেতা হয়ে ওঠেন। আজ, তার মৃত্যুর তেরো শতাব্দী পরে, তার প্রভাব এখনও শক্তিশালী এবং বিস্তৃত। এই বইয়ের সংখ্যাগরিষ্ঠ ব্যক্তিদের সভ্যতার কেন্দ্রে, উচ্চ সংস্কৃতিবান বা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলিতে জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠার সুবিধা ছিল। মুহাম্মদ অবশ্য দক্ষিণের মক্কা শহরে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন Page 4 আরব, তৎকালীন বিশ্বের একটি পিছিয়ে পড়া অঞ্চল, বাণিজ্য, শিল্প ও শিক্ষার কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে। ছয় বছর বয়সে অনাথ, তাকে পরিমিত পরিবেশে লালন-পালন করা হয়। ইসলামী ঐতিহ্য আমাদের বলে যে তিনি নি...

এটাই প্রকৃত ভালোবাসা

এটাই   প্রকৃত ভালোবাসা অনেক দিন তো প্রিয় মানুষ এর জন্য রাত্রী জেগে কাটিয়ে দিলেন । ভালোবাসার মানুষের জন্য কত সাজগোজ, একদিন শুধুমাত্র গভীর রাত্রে উঠে আল্লাহর জন্য সাজুন। প্রথমত মন ফ্রেশ হবার জন্য একটু ঘুম, তারপর ঘুম থেকে উঠেই চলে যান বাথরুমে দরকার হলে গসুল করে নিন। অপনি এখন আপনার সেই একমাত্র মহান সৃষ্টিকর্তা   আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এর সাথে সাক্ষাৎ করতে যাবেন বুঝছেন , রুমে এসে আপনার পছন্দের সব থেকে সুন্দর পোশাকটি পরুন, একটু সুগন্ধি Use করে নিন, আস্তে করে জায়নামাজ টা বিছিয়ে দিন।এবার সাক্ষাতের প্রথমেই শুরু করুন আল্লাহু আকবর কন্ঠ দিয়ে, তারপর জমিনে রব এর সাথে সাক্ষাতে সেজদায় ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ করতে বলে উঠুন "সুবহানা রাব্বিয়াল আলা" এবার বলুন আপনার কি কষ্ট, কি দরকার, কি চান, আপনার রব সব শুনছেন , এবার বলে উঠুন - ' হে আমার রব , আমিতো কখনো তোমাকে ডেকে ব্যর্থ হইনি। ' - [ সুরা মারইয়াম , আয়াত:৪ ] অতঃপর কথপোকথন শেষে আপনার রব কে সালাম দিয়ে শেষ করেন। দেখবেন এই ফিলিংস কেমন, কতটা সুন্দর ভালোবাসা।। এই ভালোবাসা বান্দা ও রবের আর ভাবা যায় এই রবের বান্দি/বান্দা আপনি, যিনি আপনার স...

তুমি রব এর আনুগত্য করো, রব তোমার জন্য যথেষ্ট-

  ❥  তুমি রব এর  আনুগত্য  করো, রব তোমার জন্য যথেষ্ট ➤ জেনে রাখবে রব এর অবাধ্য হয়ে কোনো দিন ঠিক পথে থাকা যায়না (1) । কারণ তোমার রব জানেন যে কিসে তোমার কল্যাণ (2) । তুমি রব এর ওপর মাষ্টারী করতে গেলে ঠিকই হেরে যাবে ,, ওয়াল্লাহি তুমি তাই পাবে যা তোমার জন্য কল্যাণকর , শুধু সবর করো কখনো বেপথে গেলে তাওবাহ করে নিয়ে ফিরে এসো নইলে তুমি দিন শেষে হেরে যাবে (3) , কেননা তুমি যে পথে যাবে সেটা কিন্তু দূর থেকে খুবই সুন্দর খুবই কিন্তু ভেতরে যে কি পরিমান কাঁটা তাতে বিদ্যমান তা একমাত্র রব খুব ভালো জানেন।কিন্তু খুব সাবধান কাঁটাতে যেন পা না পড়ে। দিন শেষে কে কেমন রব ছাড়া কেউ জানেন না , অতএব আমাদের উচিত তার উ পর আস্থা রাখা ও সবর করা ( 4 ) , তোমার তাকদীর এ যদি কিছু থাকে তা তোমারই হবে আর না থাকলে কোনোদিন হবে না (5) । সবর তখন সহজ যখন তুমি তাকদীরকে মেনে নিবে। 1  সুরা আনআম ৬ঃ১৫ 2  সুরা আল বাকারা ২ঃ২৬৯ 3  সুরা নিসা ৪ঃ১৭ 4  সুরা আত-তাওবা ৯ঃ৫...

কেন আমাদের জীবনে কখনো কখনো কিছু মানুষ স্বল্প সময়ের জন্য আসে এবং তারপরে দীর্ঘ সময় অথবা চিরদিনের জন্যই হারিয়ে যায়, কেন আল্লাহ তাদের আমাদের জীবনে পাঠান- ইব্রাহীম আনসারি

  ⦿  আমাকে একদিন একজন প্রশ্ন করেছিল যে- " কেন আমাদের জীবনে কখনো কখনো কিছু মানুষ স্বল্প সময়ের জন্য আসে এবং তারপরে দীর্ঘ সময় অথবা চিরদিনের জন্যই হারিয়ে যায় , কেন আল্লাহ তাদের আমাদের জীবনে পাঠান" সে নাকি এই প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে কখনো পায়নি , তবে আমি তাকে তার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার একটু চেষ্টা করেছিলাম। আমি বলেছিলাম-  ➤  " যে , আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা আমাদের জীবনে কোন কোন মুহূর্তে এরকম কিছু মানুষদেরকে নেয়ামত স্বরূপ পাঠান সে মহিলা অথবা পুরুষ যেই হোক না কেন , তারা আমাদের জীবনে সুন্দর কিছু শিক্ষা দিয়ে যায় , হয়তো যে জিনিসটা আমরা দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করেও করতে পারছিলাম না সেটা সেই ব্যক্তি চলে যাওয়ার পরে আমরা করতে পারি , কখনো কখনো এরকম দেখা গেছে যে কোন মানুষের জন্য কেউ পরিপূর্ণভাবে দ্বীনের পথে ফিরে এসেছেন আবার কখনো এরকমও দেখা গেছে যে কেউ দ্বীনের পথে ছিল কিন্তু তার ঈমান কমজোর ছিল তখন আবার কোন এক সুন্দর দ্বীনি মানুষের কারণে ঈমান মজবুত হয়ে উঠেছে , মাঝে মাঝে আমাদের জীবনে কিছু কঠিন কাজও সম্পন্ন হতে কোন মানুষের বড় অবদান রয়ে যায়। সত্যি কথা বলতে আমরা যদি এরকম উদাহ...